1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : editor :
  3. [email protected] : moshiur :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৩২ অপরাহ্ন

অপরিপক্ক তরমুজে সয়লাব বাজার, বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে

মহানগর রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সারাদেশের মতো রাজবাড়ী জেলা শহরের বিভিন্ন বাজারে তরমুজের আমদানি থাকলেও তার বেশিরভাগ পরিপক্ক নয়। কাটার পর ভেতরে লাল রং দেখা গেলেও এখনো মিষ্টি স্বাদ আসেনি পুরোপুরি। ফলে এসব অপরিপক্ক তরমুজ চড়া দামে কিনে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা। এসব তরমুজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে। আবার পিস হিসেবে নিতে গেলে দাম চাওয়া হচ্ছে আকাশ ছোঁয়া। তাতে ‘স্বাদ নিতে’ বাধ্য হয়ে ক্রেতারা কেজি হিসেবেই তরমুজ কিনছেন।

খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, এখন মোকামে তরমুজের সরবরাহ কম, দাম বেশি। বরিশাল অঞ্চলের পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা ও ঝালকাঠিতে এবার প্রচুর তরমুজ হয়েছে। তবে এখনো মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হওয়ায় সব এলাকার তরমুজ আসছে না। রমজান মাসে চাহিদা বেশি থাকায় এসব অপরিপক্ক তরমুজগুলোয় তাদের বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে।

রাজবাড়ী ফল বাজারের এক খুচরা তরমুজ বিক্রেতা বলেন, গত বছর এ সময় ১০০ তরমুজ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা করে আড়ৎ থেকে কেনা গেছে। আর এবার দ্বিগুণ দাম। তারপরও রোজার আগের দিন পাওয়া যায়নি। সে কারণে অস্বাভাবিক দামে কেনাবেচা হচ্ছে। চলতি বছরে রোজার আগে প্রতি ১০০ তরমুজ কিনতে হয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায়, যা তিন চার দিনের ব্যবধানে ৫ থেকো ৬ হাজার টাকা বেড়েছে। তাই খুচরায় ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। ৩-৪ দিন আগেও তিনি ৭০ টাকায় তরমুজ বিক্রি করেছেন।

dhakapost

রাজবাড়ী বাজারের ফল ব্যবসায়ী উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, এখনো তরমুজের মৌসুম আসেনি। রোজার কারণে চাষিরা আগে ভাগে তরমুজ তুলে ফেলছে। এখন বাজারে যে তরমুজগুলো দেখা যাচ্ছে, তা আকারে ছোট, ৩ থেকে সাড়ে ৩ কেজির মধ্যে বেশি। বড় তরমুজ নেই বললেই চলে। এসব তরমুজের বেশিরভাগই অপরিপক্ক। যে কারণে অন্যান্য বছরে এ সময়ে ৫০-৫৫ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও এ বছর ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাস হওয়াতে ক্রেতারাও বাধ্য হয়ে কিনছে।

রাজবাড়ী ফল বাজারের তরমুজ কিনতে আসা মিরাজ হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, রোজা বলেই বাজারে তরমুজ কিনতে আসলাম। তবে বিক্রেতারা দাম বেশি চাচ্ছেন। তাছাড়া তরমুজগুলো অপরিপক্ক। বেশি বড় হয়নি। প্রতি কেজি তরমুজ ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দাম চাওয়া হচ্ছে। কেজি দরে একটি তরমুজ কিনতে গেলে ৪০০-৫০০ টাকা হয়ে যাচ্ছে। পিস হিসেবে কিনতে গেলে তখন কেজি দরের চেয়ে বেশি দাম হাকানো হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে কেজি দরেই কিনতে হচ্ছে তরমুজ। আসলে বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের প্রভাব রয়েছে। সব দোকানেই একই দাম। যদি দামটা ৫০-৬০ টাকা কেজি হতো তাহলে আমাদের মতো ক্রেতাদের সুবিধা হতো।

আরেক ক্রেতা রোজিনা ইসলাম বলেন, ৮০ টাকা কেজি দরে ৪ কেজি ওজনের একটি তরমুজ কিনেছি। দামটা অনেক বেশি। দোকানদার একটু কমও রাখল না। বাড়ির বাচ্চারা বায়না ধরছে তরমুজ খাবে কিছু করার নেই। যত দামই হোক কিনতে হয়েছে। সুষ্ঠু ভাবে বাজার মনিটরিং করা গেলে তরমুজের দাম স্বাভাবিক থাকতো।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজবাড়ী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী রকিবুল হাসান বলেন, রমজানের শুরু থেকেই আমরা বাজার মনিটরিং করছি। আমরা যখন বাজার মনিটরিং করেছি তখন তরমুজের বিষয়টিও মাথায় রাখছি। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের পাশাপাশি তরমুজের বাজারেও নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি এবং বিক্রেতাদের সতর্ক করছি। পাশাপাশি ক্রেতাদেরকেও অপরিপক্ক তরমুজ কিনতে নিরুৎসাহিত করছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট