বৈশাখের চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। নিজের সর্বোচ্চ শক্তিমত্তা জানান দিচ্ছে সূর্য। শহর-গ্রাম, পথ-ঘাট, সড়ক-মহাসড়ক সবখানেই সূর্যের খরতাপ! এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানের তাপমাত্রা কমার আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ
আবারও সারা দেশে তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ নিয়ে চতুর্থবার হিট অ্যালার্ট দিল সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ
সারাদেশে হিট অ্যালার্ট জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। যা আগামী তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। বুধবার (২৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের দেওয়া পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার
ঢাকাসহ দেশের চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য
প্রায় দুই যুগের বেশি সময় ধরে ঢাকায় রিকশা চালান শফিকুল ইসলাম (৫০)। প্রতি বছরই গ্রীষ্মের সময়টাতে রিকশা চালাতে কষ্ট হয় তার। তবে এ বছর তীব্র তাপদাহের কারণে রিকশা চালানো আরও
দেশের বেশিরভাগ জেলায় বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। অসহনীয় গরমে নাকাল মানুষ। তাপমাত্রা কিছুটা কমবেশি হলেও বাতাসে জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি অনুভূত হচ্ছে বেশি। এ অবস্থা থেকে সহজে মুক্তিও মিলছে না। আগামী
সারা দেশে সতর্কতামূলক হিট অ্যালার্ট জারি রয়েছে। এ অবস্থার মধ্যেই দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (২১ এপ্রিল)
গত কয়েকদিন ধরেই রাজধানী ঢাকার উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। যা অব্যাহত থাকবে আরও কয়েকদিন। সেই ধারাবাহিকতায় আজও ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। রোববার (২১
চুয়াডাঙ্গায় তীব্র দাবদাহের পর আজ থেকে অতি তীব্র দাবদাহ শুরু হয়েছে। প্রচণ্ড রোদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এছাড়া জেলা শহরে বিভিন্ন সড়কে রাস্তার পিচ গলে যেতে দেখা গেছে। তবে এতে
তীব্র তাপদাহে সারা দেশে হিট অ্যালার্ট জারি করায় স্কুল-কলেজ আরও সাতদিন বন্ধের দাবি জানিয়েছে অভিভাবক ঐক্য ফোরাম। দেশের স্কুল-কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.