প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়া রেমালের প্রভাবে ১৬ জেলায় ৮ থেকে ১২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে অতী ভারী বৃষ্টির ফলে ৫ জেলায় ভূমিধসের
ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দেশের পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৯ নম্বর মহাপবিদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে
বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে। যা সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি-১ শক্তিমাত্রার ঝড় হিসেবে ২৬ মে দিবাগত রাত থেকে ২৭ মে সকালের মধ্যে উপকূল অতিক্রম
বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতিতে আজ রাত থেকেই মহাবিপদ সংকেত দেখানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান। আজ (শনিবার) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে
দেশের দুই অঞ্চলে ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কুমিল্লা
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। শুক্রবার (২৪ মে) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ অবস্থায় সব সমুদ্রবন্দরে তোলা হয়েছে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত। আবহাওয়াবিদ
দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এ সংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় এটি আরো ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। তবে
বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ বুধবার (২২ মে) এটি লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর শুক্রবার শক্তি সঞ্চয় করে রূপ নিতে পারে নিম্নচাপে। গতকাল মঙ্গলবার (২১ মে) এমন
ঢাকাসহ দেশের ১০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। রোববার (১৯ মে) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে। অনেক এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে কেটেছে তাপপ্রবাহ। এ সময়ে ঢাকার তাপমাত্রা কমেছে প্রায় ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন