1. admin@mohanagarbarta.com : admin :
  2. editor@mohanagarbarta.com : editor :
  3. moshiur12600@gmail.com : moshiur :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
মঙ্গলবার থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৫ দিনের ছুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি, আজও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত-সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ছয় সপ্তাহের মধ্যে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান ভূমিকম্পের ৩ মিনিট পরই নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৫৭ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ : আসামিদের আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর কী হয়েছিল?

মহানগর রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

২০০৬ সালের অক্টোবর। সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিতে না পারেন সেজন্য তুমুল আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল আওয়ামী লীগ। এরইমধ্যে ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী এক সংঘর্ষ হয়।

তিন দিনের তুমুল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ কার্যত রাজপথ দখলে নেয়।

এমন অবস্থায় ২৮ অক্টোবর ঢাকায় সমাবেশের ঘোষণা দেয় জামায়াতে ইসলামী, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি। পল্টন ময়দানে সমাবেশের ঘোষণা দেয় আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া বিএনপি নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এবং জামায়াতে ইসলামী বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

২৮ অক্টোবর সকাল থেকেই বায়তুল মোকারমের উত্তর গেইট থেকে শুরু করে পল্টন এবং তোপখানা মোড়ে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আওয়ামী লীগের সাথে ১৪ দলীয় জোটের অন্য রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরাও ছিল। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সাথে ছিল তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মীরা।

জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগের কর্মীরা পরস্পরকে হটিয়ে পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেবার চেষ্টা করে। বেলা ১১টার দিকে প্রথমে পুলিশের সাথে আওয়ামী লীগের কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সমাবেশ করার জন্য পল্টন ময়দান দখল নিতে গেলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় পুলিশ বেধড়ক লাঠিপেটা করে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। আওয়ামী লীগ কর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইট ছোঁড়ে। এ সময় ব্যাপক ককটেল বিস্ফোরণের আওয়াজে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে জানা যায়, ২৮ অক্টোবর পল্টন এলাকায় সহিংসতায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজনই ছিলেন জামায়াত-শিবিরের কর্মী। অন্যজন ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির কর্মী।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট