1. admin@mohanagarbarta.com : admin :
  2. editor@mohanagarbarta.com : editor :
  3. moshiur12600@gmail.com : moshiur :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
অনির্দিষ্টকালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি, আজও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত-সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ছয় সপ্তাহের মধ্যে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান ভূমিকম্পের ৩ মিনিট পরই নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৫৭ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ : আসামিদের আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ সকাল ১০টায়

সূর্যের দেখা নেই, ঠান্ডা-কুয়াশায় কাহিল নিম্ন আয়ের মানুষ

মহানগর রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৮৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

‘হামার কি বসি খাওয়ার দিন আছে। শীতত হাত পাও সিক নাগে তবু কামত যাওয়া নাগে। কাম না করলে খামু কী। অইদ হউক আর শীত হউক হামাক কাম করিয়ে খাওয়ায় নাগবে।’

কথাগুলো বলছিলেন দিনমজুর নিতিশ চন্দ্র বর্মণ। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুরের লালবাগ এলাকা থেকে কাজ করে বাড়ি ফেরার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা সারা বছর দিনমজুরি করি সংসার চালাই। ভোরে বাড়ি থেকে বের হই এরপর রংপুরের যেখানে কাজ পাই সেখানে চলে যাই। কাজ শেষে বিকেলে বাড়ি ফিরি। যেদিন যা উপার্জন হয় তা দিয়েই সংসার চলে। আর যেদিন কাজ পাওয়া যায় না সেদিন খালি হাতে ফিরতে হয়। সেদিন বাড়িতে কাজ করি।

শীতের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বছর খুব শীত পড়ছে। শীতের কাপড় গায়ে দিয়েও ঠান্ডা লাগে। বাড়ি থেকে যখন বের হই তখন হাত-পা বরফ হয়ে যায়।

রফিকুল ইসলাম নামের আরেকজন বলেন, ঠান্ডাত তো কিছু করার ইচ্ছা করে না। পেটের দায়ে করা লাগে। কাজ-কামও আগের মতো পাওয়া যাচ্ছে না। যখন যা পাচ্ছি তাই করছি।

এদিকে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রংপুরে সূর্যের দেখা মিলছে না। প্রচণ্ড শীত ও ঠান্ডা বাতাসে কাহিল হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেওয়ার চেষ্টা করছেন অনেকে।

রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ ধরে রংপুরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কম হওয়ায় প্রচণ্ড শীত অনুভূত হচ্ছে এ অঞ্চলে।

এদিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে প্রায় ৪২ জন অগ্নিদগ্ধ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের বেশির ভাগই শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুনের উষ্ণতা নিতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। আবার কেউ কেউ শীত নিবারণে গরম পানি ব্যবহার করতে গিয়েও দগ্ধ হয়েছেন।

এ ছাড়া রমেক হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতের প্রকোপে বেড়েছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভর্তির চাপ। গত কয়েক দিনের তুলনায় হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট