1. admin@mohanagarbarta.com : admin :
  2. editor@mohanagarbarta.com : editor :
  3. moshiur12600@gmail.com : moshiur :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাজশাহীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রাচীর ও বাড়ি নির্মাণ মঙ্গলবার থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৫ দিনের ছুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি, আজও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত-সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ছয় সপ্তাহের মধ্যে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান ভূমিকম্পের ৩ মিনিট পরই নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৫৭ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ক্যালেন্ডারের উপহার : চার বছর পর আসা ২৯ ফেব্রুয়ারি আজ

মহানগর রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

চার বছর পর আবার ২০২৪ সালটি ৩৬৬ দিনের। প্রতি চার বছর পর ক্যালেন্ডার একটি বাড়তি দিন উপহার দেয়। সব সময় যেখানে ২৮ দিনে ফেব্রুয়ারি মাস হয়, সেখানে ৩৬৫ দিনে হয় বছর। কিন্তু চার বছর পর পর ফেব্রুয়ারি মাসটি হয়ে যায় ২৯ দিনে। এই ঘটনাকে অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার বলা হয়। ২০২৪ এমন একটি লিপ ইয়ার অর্থাৎ অতিরিক্ত এক দিনের বছর।

বাংলা, হিজরি ক্যালেন্ডার আমাদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সারা বছর সব দাপ্তরিক ও সাধারণ জীবনযাপনে ইংরেজি বর্ষের ক্যালেন্ডারই বহুল ব্যবহৃত। আসলে এই ইংরেজি ক্যালেন্ডার গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নামে পরিচিত, যেখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর হিসাব করা হয়।

একটি সাধারণ বছর এভাবেই ৩৬৫ দিনে শেষ হয়। অতিরিক্ত প্রায় ছয় ঘণ্টা চার বছরে ২৪ ঘণ্টা হয়। এই ২৪ ঘণ্টা হলো পৃথিবীর একবার নিজের অক্ষের চারিদিকে ঘোরার সময়। সেই হিসাবে অতিরিক্ত সময় বা ২৪ ঘণ্টা চতুর্থ বছরে ফেব্রুয়ারি মাসে অতিরিক্ত দিন হিসেবে যুক্ত হয়। এটি করা না হলে ফসলের চক্র এবং ঋতু পরিবর্তনের সময় ধীরে ধীরে বদলে যাবে।

লোকমুখে প্রচলন আছে, জুলিয়াস সিজার রোমের ক্ষমতায় আসার আগে পর্যন্ত ৩৫৫ দিনে বছর, এমন ক্যালেন্ডারই সবাই মেনে চলত – যেখানে প্রতি দুই বছর পরপর একটা অতিরিক্ত ২২ দিনের মাস যু্ক্ত হতো। কিন্তু এটা আসলে সমস্যার একটা জটিল সমাধান ছিল এবং উৎসবের দিনগুলো ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে যেতে শুরু করে। তাই সিজার তার জ্যোতির্বিজ্ঞানী সোসিজেনেসকে বিষয়টি সহজ করার নির্দেশ দেন।

সোসিজেনেস তখন ৩৬৫ দিনে বছর করে যে অতিরিক্ত ছয় ঘণ্টার মতো থেকে যায়, সেটি মিলিয়ে নিতে চার বছর পরপর একটা অতিরিক্ত দিন ক্যালেন্ডারে যুক্ত করেন। আর এভাবেই ২৯শে ফেব্রুয়ারির জন্ম। যা পরবর্তীতে পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি সূক্ষ্ম পরিমার্জন করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট