দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের মধ্যাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। যার প্রভাবে আগামী ২০ ডিসেম্বর (শুক্রবার) থেকে সারাদেশে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর)
সারা দেশেই শীতের হিম হাওয়া বইছে। শীতের আগমনী বার্তায় রাজধানীর ফুটপাতগুলোতে শুরু করে নামিদামি শপিংমলেও এখন শীতের পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। অন্য যেকোনো পোশাকের চেয়ে শীতের পোশাকের বেচাকেনাও ভালো। ফলে গরম
গত তিনদিন ধরে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি হিম বাতাসে অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীত। এর আগে
সারা দেশে জেঁকে বসেছে শীত। এরইমধ্যে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়, রাজশাহী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। যা শিগগিরই কমার সম্ভাবনা নেই। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ
তাপমাত্রার পারদ কমে তীব্র শীত প্রকট আকার ধারণ করেছে উত্তরের হিমাঞ্চল জেলা পঞ্চগড়ে। বরফের মতো ঠান্ডা পোহাচ্ছে সীমান্ত জনপদের মানুষ। শৈত্যপ্রবাহের দাপটে বিপর্যস্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে বিপাকে
সারাদেশে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাত-দিনের তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া, শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা এবং দেশের উত্তর-উত্তর পূর্বাংশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে
দিনাজপুরে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে শীতের প্রকোপ। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা থাকে পুরো এলাকা। দিনের বেশিরভাগ সময় মিলেছে না সূর্যের দেখা। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায়
দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সারা দেশে শীতের প্রকোপ বাড়তে পারে। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। তবে শিগগিরই আবহাওয়ার এমন অবস্থা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁয় জেঁকে বসেছে শীত। গত দুই দিনে শীতের তীব্রতা যেন বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। গতকাল সন্ধ্যার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। গতকাল থেকে এখন অব্দি নেই
ঘন কুয়াশার কারণে নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ২০ মিনিট থেকে এ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে ফেরি চলাচল