1. admin@mohanagarbarta.com : admin :
  2. editor@mohanagarbarta.com : editor :
  3. moshiur12600@gmail.com : moshiur :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আব্দুল্লাহপুরে ঘরমুখো মানুষের ঢল, বাস সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় চরম দুর্ভোগ মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ তেল নেওয়া যাবে ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল রোজা শুরু তারেক রহমানের নেতৃত্বে শুরু হলো গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ২০ বছর পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি, প্রথমবার বিরোধী দলে জামায়াত সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় নিল ২০২৫, শুরু হলো চ্যালেঞ্জিং নির্বাচনী বছর স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত ‘আপসহীন নেত্রী’ খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বাদ জোহর খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, একদিনের সাধারণ ছুটি
সর্বশেষ:
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন দেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৩০ কিলো‌মিটার যানবাহনের ধীরগতি সৌদিতে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শুক্রবার যমুনা সেতুর দুই পাড়ে নেই যানজট, স্বস্তিতে ঘরমুখো মানুষ ঈদযাত্রায় পাটুরিয়ায় বাড়ছে যানবাহন, ফেরিতে উঠতে সময় লাগছে বেশি আব্দুল্লাহপুরে ঘরমুখো মানুষের ঢল, বাস সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় চরম দুর্ভোগ হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি দায়বদ্ধ সংসদ পেয়েছি হাদি হত্যার দুই আসামিকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে

রাজশাহীতে পানির অভাবে ধানের জমি ফেটে চৌচির

মহানগর রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৫১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

খরা ও তাপপ্রবাহে পুড়ছে রাজশাহী। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। গভীর নলকুপগুলোতেও তেমন পানি উঠছে না। বোরোর জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য পানি মিলছে না। এর মধ্যেও পবা উপজেলার এক ডিপ অপাটারের বিরুদ্ধে ইচ্ছকৃত ফসলে সেচ না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হুজুরীপাড়া ইউনিয়নের সরিষাকুড়ি ৪ নম্বর ডিপের মাঠে।

শনিবার সরোজমিন দেখা যায়-ওই ডিপের আওতায় মাটি ফেটে গেছে। বেশ কিছু এলাকায় ধান পুড়ে সাদা হয়ে গেছে। এ অবস্থায় বোরো ধানের ফলন বিপর্যয় বটেই ধানই না হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। আমাদের দেখে কিছুক্ষণের মধ্যে চাষিদের ভীড় বেড়ে যায়। উপস্থিত হোন ডিপ অপারেটর আলম হোসেন। তার সাথে এ নিয়ে তর্কে-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ভুক্তভোগি চাষিরা।

ওই এলাকার চাষি আমিনুল, এনামুল, হান্নান, জমসেদ বলেন, এক মাস ধরে এই বিলের বেশিরভাগ জমিতে সেচ পড়েনি। তাপদাহে সেই ধানে পুড়ে খাক। শীষে ধান নেই বললেই চলে। বছরের ক্ষেত এভাবে পুড়ে গেলে না খেয়ে থাকতে হবে। অথচ প্রতি বিঘা ধানে এখন পর্যন্ত খরচ হয়েছে ১২-১৪ হাজার টাকা। তেল-সার সবকিছুর মূল্য বেড়েছে। এখন শুরু হয়েছ সেচ সংকট। ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঋণের টাকা শোধ নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছেন তিনি।

তারা আরো অভিযোগ করেন ‘হীন স্বার্থে’ বেশীরভাগ কৃষকদের পানি না দিয়ে মুখ চেনা কয়েকজনকে পানি দিচ্ছে। যে কারণে অন্যদের জমিতে পানির অভাবে শত শত একর বোরো ধানের ক্ষেত ফেটে হা হয়ে আছে। বোরো ধান পাকার সময় হয়ে এলেও বেশির ভাগ ধানের শীষ আসেনি; অনেক গাছের আগা মরে যাচ্ছে।

অনেকে বলেন “এ ফসলে পরিবার পরিজন নিয়ে দুবেলা খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে পারতেন। ফসল নষ্ট হলে তো বউ ছেলে নিয়ে পথে বসতে হবে।” এখন “ধানের চারায় এ সময় ফুল এসেছে আর সেই সময়ে পানির অভাবে চারা শুকিয়ে ধূসর বর্ণ ধারণ করছে। “এই ফসল ঘরে তুলতে না পারলে, না খেয়ে থাকতে হবে।” তারা বলেন এ অবস্থায় কোন কৃষি কর্মকর্তা আমাদের কাছে আসেন নি ও পরামর্শ দেননি।

এব্যাপারে জেলা কৃষকলীগ নেতা ইনতাজ আলী বলেন, ‘আমি বৃহস্পতিবার রাতে শুনেই শুক্রবার বিলে এসেছি। জমির অবস্থা দেখে আমার মাথায় খারাপ হয়ে গেছে। এখন ফলন বিপর্যয় নয়-ফসলই হবে না। আমি নিজেই বিএমডিএ, কৃষি ও পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে এ বিষয় নিয়ে যোগাযোগ করেছি।

এব্যাপারে ডিপ অপারেটর আলম হোসে বলেন, ডিপে পানি না পাওয়ায় এমন হচ্ছে। এটা একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ-এতে আমার কিছু করার নাই। ডিপ বন্ধ ও মুখ চেনে পানি দিচ্ছেন এমন অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট