1. admin@mohanagarbarta.com : admin :
  2. editor@mohanagarbarta.com : editor :
  3. moshiur12600@gmail.com : moshiur :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
মঙ্গলবার থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৫ দিনের ছুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি, আজও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত-সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ছয় সপ্তাহের মধ্যে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান ভূমিকম্পের ৩ মিনিট পরই নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৫৭ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ : আসামিদের আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

শেরপুরের নালিতাবাড়ী
খালে পানি নেই, ৩০০ একরে সেচ ব্যাহত

মহানগর ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৯০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কৃষকেরা বিএডিসির সেচপাম্পের মাধ্যমে দুদুয়ার খালে সপ্তাহে দুদিন পানি দেওয়ার দাবি জানান।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার দুদুয়ার খালে পানি না থাকায় সেচসংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ৩০০ একর বোরো খেত। গত এক সপ্তাহে খেতে সেচ দিতে না পারায় ফসল শুকিয়ে গেছে। এ নিয়ে রূপাকুড়া ও মানুপাড়া গ্রামের দেড় শতাধিক কৃষক আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁরা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচপাম্পের মাধ্যমে দুদুয়ার খালে সপ্তাহে দুদিন পানি দেওয়ার দাবি জানান।

গতকাল সোমবার দুপুরে রূপাকুড়া ও মানুপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, দুদুয়ার খালটি শুকিয়ে গেছে। এর দুই পাশে কৃষক জমিতে বোরো আবাদ করেছেন। খেতে পানি না থাকায় অধিকাংশ খেতে ছোট ছোট ফাটল দেখা দিয়েছে।

মানুপাড়া গ্রামের কৃষক মোস্তফা আলী বলেন, ৩ একর জমিতে ৯০ হাজার টাকা খরচ করে বোরো চাষ করেছেন। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে খালে পানি নেই। খেতে সেচ দিতে পারছেন না। খেতে ফাটল ধরেছে। যদি দুই একরে মধ্যে পানি দিতে না পারেন, তাহলে ফসল মরে যাবে।

নয়াবিল গ্রামের জুলহাস উদ্দিন বলেন, ‘ঋণ-ধার কইরা ১৫ কাঠা (শতক) জমিতে বোরো লাগাইছি। বাকি ২০ কাঠা ভিজাইছি। কিন্তু খালে পানি না থাহুনে আবাদের খেত শুকাইয়া গেছে। বাহি ২০ কাঠা কেমনে লাগাইমু। সরকার যদি পানির ব্যবস্থা না করে, তাইলে কৃষকগরে মরণ ছাড়া কোনো উপায় থাকত না।’

স্থানীয় একাধিক কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী নাকুগাঁও পাহাড় থেকে ঝরনার পানি দুদুয়ার খালে নেমে আসে। খালটি রূপাকুড়া ও মানুপাড়া হয়ে দক্ষিণ দিকে বয়ে গেছে। বোরো মৌসুমে এই খালের পানি দিয়ে দুই গ্রামের তিন শতাধিক কৃষক ৫০০ একর জমিতে বোরো আবাদ করে থাকেন। এক মাস আগে রূপাকুড়া ও মানুপাড়া গ্রামের শতাধিক কৃষক দুদুয়ার খালে মাটির বাঁধ দিয়ে পানি মজুত করেন। ১৫ দিন আগে সেই পানি দিয়ে রূপাকুড়া গ্রামে ২০০ একর ও মানুপাড়ায় ১০০ একর জমিতে বোরো চাষ করা হয়। কিন্তু খাল শুকিয়ে যাওয়ায় এক সপ্তাহ ধরে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে খেতে ছোট ছোট ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।

কৃষকেরা বলেন, দুদুয়ার খালের পাশে বিএডিসির সেচপাম্প বসানো আছে। এর মাধ্যমে তাঁরা সপ্তাহে ১-২ দিন খালে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করার কথা বলেন। তা না হলে রূপাকুড়া ও মানুপাড়া গ্রামের শতাধিক কৃষকের ৩০০ একর বোরো আবাদ রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

রূপাকুড়া গ্রামের কৃষক মাসুম মিয়া বলেন, ‘বোরো আবাদ লইয়া আমরা মহাবিপদে পড়ছি। খালে পানি নাই। তাই খেতে সেচ দিবার পাইতাছি না। খালের কাছেই বিএডিসির পাম্প আছে। কৃষকগর কথা চিন্তা কইরা যদি সপ্তাহে এক বা দুই দিন খালে পানি দেওয়া অইত, তাইলে ৩০০ একর বোরো আবাদ রক্ষা করা যাইত।’

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সেচসংকটের জন্য আবাদ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না। সেচসংকট নিরসনে দ্রুত সেচ কমিটির সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফসল রক্ষায় সেচ দিতে প্রয়োজনে বিকল্প পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন। সেচসংকট নিরসনে প্রয়োজনে বিএডিসির সেচপাম্প দিয়ে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট