1. admin@mohanagarbarta.com : admin :
  2. editor@mohanagarbarta.com : editor :
  3. moshiur12600@gmail.com : moshiur :
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
অনির্দিষ্টকালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি, আজও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত-সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ছয় সপ্তাহের মধ্যে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান ভূমিকম্পের ৩ মিনিট পরই নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৫৭ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ : আসামিদের আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ সকাল ১০টায়

৩৫ বছর নৌকা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছেন নাজমা

মহানগর ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৯০৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নারীরা সমাজের বোঝা নয় বরং কঠোর পরিশ্রম তাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সমাজের প্রতিটি স্তরে। তারই দৃষ্টান্ত নেত্রকোনা দুগার্পুরে সুমেশ্বরীর বিজয়পুর ঘাটে ৩৫ বছর ধরে নৌকা চালিয়ে জীবন জীবিকা অর্জন করছেন ৫০ বছর বয়সী নারী নাজমা খাতুন।

নেত্রকোনা জেলার দুগার্পুর উপজেলা ভারত সীমান্ত ঘেষা বিজয়পুর গ্রামের সুমেশ্বরী নদীর তীরের আব্দুর রশীদের স্ত্রী নাজমা খাতুন। স্বামী সুমেশ্বরী নদীর বুকে নৌকা চালিয়ে জীবিকা অর্জন করতেন।

তাদের সংসারে তার দুই ছেলে এক মেয়ে, স্বামী নিয়ে বেশ ভালোই চলছিলো তার সুখের সংসার। কিন্তু হঠাৎ করে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায় নাজমার।

ছেলে দুইটি মারা যায় আর এক মেয়ে বিয়ে দিয়ে দেন। সুমেশ্বরী নদী ভাঙ্গনে নিয়ে যায় জমি ভিঠা। হঠাৎ একদিন স্বামী অসুস্থ হয়ে যায় সংসারে নেমে আসে সীমাহীন অভাব। এ অভাবের কারণে নারী হয়ে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে দুগার্পুরের বিজয়পুর এলাকার নাজমা খাতুন। অসুস্থ স্বামীর বরণ পোষণ এবং নিজেকে বেচে থাকার তাগিদে প্রতিদিন ভোর বেলায় বৈঠা হাতে নিয়ে বের হন বিজয়পুর সুমেশ্বরীর নদীর তীরে বিজয়পুর ঘাটে।

বিজয়পুরে আগত ভ্রমণ পিপাসু দর্শনাথীদের নিয়ে পার হন নদীর এপার থেকে ওপার। ভ্রমণ পিপাসুরা তার নৌকায় উঠে দুর্গাপুরের সুমেশ্বরী নদীর সৌন্দর্য় উপভোগ করেন, সারাদিনের পারিশ্রমিক নিয়ে সন্ধ্যায় ঘরে ফিরেন নাজমা।

নাজমা খাতুন বলেন, যতদিন শক্তি সামর্থ্য আছে ততদিনই এ কাজ করে যাবো। দুটি সোনার টুকরা ছেলে ছিল তাদের অকালে চলে গেল আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে। আমার স্বামী অসুস্থ মানুষ তার জন্যই কষ্ট করে যাচ্ছি, দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত এ ঘাটে নৌকা চালাচ্ছি। যদি সরকারি কোনো সহযোগিতা পাই বাকি জীবনটা একটু সুখে যাবে।

ভ্রমণে আসা তনময় আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, জীবনের শেষ সময়ে এমন একজন নারীর নদীকেন্দ্রীক ব্যতিক্রমী পেশা গড়ে উঠা সত্যিই বড় প্রসংসার। তার জীবন থেকে অনেকেরই শিক্ষা নেওয়া উচিত।

নেত্রকোনা মহিলা অধিদপ্তরের মহিলা বিষয়ক উপ-পরিচালক নাজনীন সুলতানা বলেন, নারী হয়ে সে নৌকা চালিয়ে জীবিকা অর্জন করে সত্যিই সে প্রসংসার দাবীদার। সে যদি সহযোগিতা চায় আমরা মহিলা পরিষদ থেকে যতটুকু সহযোগিতা করা দরকার তাকে সার্বিক সহযোগিতা করবো বলে জানান এই নারী কর্মকর্তা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট