1. admin@mohanagarbarta.com : admin :
  2. editor@mohanagarbarta.com : editor :
  3. moshiur12600@gmail.com : moshiur :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি, আজও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত-সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ছয় সপ্তাহের মধ্যে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান ভূমিকম্পের ৩ মিনিট পরই নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৫৭ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ : আসামিদের আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ সকাল ১০টায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকের ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষকের যোগদান ২৯ অক্টোবর

দাম কমেনি আলু পেঁয়াজ ডিমের, হতাশ ক্রেতারা

মহানগর রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৭২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে দৈনন্দিন বাজার-সদাই করতে এসেছেন বেসরকারি কর্মজীবী রাজিব আহমেদ। তিনি বলেন, আলু, ডিম ও পেঁয়াজের দাম কমার ঘোষণা সরকার দিলেও বাজারে কোনো প্রভাব পড়েনি।

সরকার দাম বেঁধে দিলেও ব্যবসায়ীরা তো মানছেন না, তাদের নিজেদের মতো দাম নিচ্ছেন।
রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পলাশী বাজারে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা। সরকার অন্য আরও দুটি পণ্যেরও দাম বেঁধে দিয়েছে—পেঁয়াজ ও আলু। এ দুটি পণ্যও সরকার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না।

খুচরায় প্রতি কেজি আলুর সরকার নির্ধারিত দাম ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা। কিন্তু বাজারে ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ এক কেজি আলুতে অন্তত ১৪ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।

দেশি পেঁয়াজের সরকার নির্ধারিত দাম ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা কেজি। তবে খুচরা বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। অর্থাৎ বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেশি। আর আমদানি করা পেঁয়াজের খুচরা দাম পড়ছে মানভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা।

শুধু হাতিরপুল বাজার নয়, আশপাশের পলাশী বাজার, নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ও কাঁঠালবাগান বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

হাতিরপুল বাজারের বিক্রেতা আবদুল খালেক বলেন, তেজগাঁও ডিমের আড়ত থেকে প্রতি শ ডিম কিনেছি ১ হাজার ১৪০ টাকায়। প্রতি ডিমের পাইকারি দাম পড়েছে ১১ টাকা ৪০ পয়সা। এর সঙ্গে গাড়িভাড়া যোগ হবে। ডিম নষ্ট থাকে, ভেঙে যায়, সেই খরচও ধরতে হবে। দোকানভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও ডিমের প্যাকেজিং খরচও আছে। সব মিলিয়ে প্রতি ডিমে খরচ আসে ১২ টাকার ওপর।

অতিরিক্ত দাম নেওয়ার কারণ হিসেবে আবদুল খালেক দাবি করেছেন, সরকার যে দাম ঠিক করেছে, সে দামে ডিম বিক্রি করতে গেলে লোকসান করতে হবে। পাইকারি বাজারে ডিমের দাম কমলে তখন কম রাখা সম্ভব হবে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পাশাপাশি বাজারে অভিযান হচ্ছে। এতে খুচরা ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আমানত উল্লাহ বলেন, খামারিদের উৎপাদন খরচ কমানোর ব্যবস্থা না করে এভাবে ডিমের দাম বেঁধে দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনো মানে হয় না।

প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সরকারের বেঁধে দেওয়া ডিমের দাম শুধু কাগজে-কলমে থাকবে; বরং মুরগির খাবারের দাম কমানো ও এক দিন বয়সী মুরগির বাচ্চার বাজার স্থিতিশীল করার পরামর্শ দিয়েছে সংগঠনটি।

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গত বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ডিম, আলু ও দেশি পেঁয়াজের দাম বেঁধে দেন।

এরপর গত শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম তদারকিতে বাজার অভিযানে নামে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি গত দুই দিনে সারাদেশে অভিযান চালিয়ে ২৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে। তবে বাজারে দাম কমার লক্ষণ নেই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট