1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : editor :
  3. [email protected] : moshiur :
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীতে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন

মহানগর রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ মে, ২০২৩
  • ৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মনোনয়নপত্র তুলতে এসে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। রোববার সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর শহিদুল ইসলামের পক্ষে তাঁর সমর্থকেরা বিশেষ পোশাক পরে এসেছেন। একই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জুয়েল রানা নিজে মোটরসাইকেলে ও অটোরিকশায় মহড়া দিয়ে এসেছেন।

‘সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬ -এর ১১ ধারায় বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের সময় কোনো মিছিল কিংবা শোডাউন করা যাবে না। প্রার্থী পাঁচজনের বেশি সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন না।

শহিদুল ইসলাম সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর। তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তাঁর কোনো দলীয় পদ নেই। তবে সম্প্রতি রাজশাহী নগরের নওদাপাড়া আমচত্বর এলাকায় তাঁকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে বর্তমান সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামানের নির্বাচনী লিফলেট বিলি করতে দেখা গেছে। রোববার মনোনয়নপত্র তোলার সময় তাঁর ওয়ার্ডে কর্মরত সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা আকাশি রঙের টি-শার্ট ও ট্রাউজার পরে এসেছিলেন। সবার টি-শার্টের পেছনে লেখা ছিল- সৌজন্যে শহিদুল ইসলাম (পঁচা), ১৮ নম্বর ওয়ার্ড।

একই ওয়ার্ডের আরেক কাউন্সিলর প্রার্থী জুয়েল রানা রাজশাহী নগরের শাহ মখদুম থানা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক। তিনি প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন। তিনি ও তাঁর সমর্থকেরা এসেছিলেন মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার বহর নিয়ে। দুপুর ১২টার দিকে তাঁকে দেখা যায়, তিনি সামনে থেকে মোটরসাইকেলে সবার উদ্দেশে হাত নাড়ছিলেন।

এ বিষয়ে জুয়েল রানা বলেন, এতে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে- বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। অপর প্রার্থী শহিদুল ইসলামের বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁর (শহিদুলের) লোকজন নেই। তাই সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের দিয়ে তিনি মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছেন। তাঁর সমর্থকেরা আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন।

রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, একজন প্রার্থীর লোকজন একই রকম পোশাক পরে এসেছিল। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলেছেন। তাঁদের বের করে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এরপর এ অবস্থায় পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্য প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউনের বিষয়ে তিনি বলেন, ৩০টি ওয়ার্ড থেকে প্রার্থীরা মোটরসাইকেল নিয়ে আসছেন। তবে কার্যালয়ের আশপাশে কোনো মহড়া দেওয়ার বিষয় তাঁর নজরে আসেনি। এ রকম হলে তাঁরা ব্যবস্থা নেবেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট