নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই শীতের আবহ প্রবেশ করেছে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। বাংলাদেশেও প্রতিদিনই শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমছে তাপমাত্রা। তবে দেশের কোথাও এখনও শৈত্যপ্রবাহ হয়নি। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ডিসেম্বরের
হেমন্তের শেষ মুহূর্তে পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা পারদ নামল ১০ ডিগ্রির ঘরে। এ তাপমাত্রায় অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীত। শনিবার (৩০ নভেম্বর) ভোর ৬টায় ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে জেলার
গত তিনদিন ধরে পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ঘোরাফেরা করছিল। তবে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে দেশের সবচেয়ে উত্তরের এ জেলায় তাপমাত্রা নেমেছে ১২ ডিগ্রির ঘরে। ভোর ৬টায় জেলার তাপমাত্রা
হিমকন্যা পঞ্চগড়ে ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে শীতের দাপট। হেমন্তের বিদায়লগ্নে জেঁকে বসছে শীত। রেকর্ড হচ্ছে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ভোর ৬টায় ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড
কমতে থাকা তাপমাত্রা জানান দিচ্ছে হেমন্তের বিদায় সময়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য উত্তাপ ছড়ালেও সন্ধ্যার পর বেড়ে যায় শীতের তীব্রতা। রাতে তাপমাত্রা আরও কমে যায়। গত এক সপ্তাহ ধরে
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে সারা দেশে শেষরাত থেকে ভোররাত পর্যন্ত কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় দিন
সারা দেশে ভোর থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক
হিমালয়কন্যা খ্যাত জেলা পঞ্চগড়ে কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত বেশ শীত অনুভূত হতে শুরু করে উত্তরের এ জেলায়। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোর ৬টায় ১৫ দশমিক ছয় ডিগ্রি
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা নামল ১৪ ডিগ্রিতে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে। আর এই শীত মৌসুমে খেজুর গাছ থেকে সুস্বাদু রস আহরণের লক্ষ্যে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা।
ক্রমান্বয়ে তাপমাত্রা কমছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে শীতের কাঁপন। কেননা, উত্তর-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে থার্মোমিটারের পারদ নেমে এসেছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। তাপমাত্রা আরও কমার আভাস রয়েছে। রোববার (১৭ নভেম্বর) এমন