অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা এখন স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি এখন বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যাবে। তাই বিশেষ বিজ্ঞপ্তি আর প্রকাশ করবে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক রোববার
ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে কক্সবাজারে মোট ১২ হাজার বাড়ি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. শাহীন ইমরান। গতকাল রোববার (১৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে প্রবল ঝড়ের আশঙ্কায় দেশের বহু এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে মিয়ানমার। এছাড়া দেশটির উপকূলীয় রাখাইন রাজ্য থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে লক্ষাধিক মানুষকে। এমনকি
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। ঘূর্ণিঝড়টি কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। এজন্য সমুদ্র উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি উচ্চতায় ঢেউ
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা আরও শক্তি সঞ্চার করে উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে পাওয়া সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় মোখা পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও
ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে মহেশখালীর দু’টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল শুক্রবার (১২ মে) রাত ১১টা থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। ফলে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হবে। ঝড়ের পরিস্থিতি বিবেচনা
বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’। কক্সবাজারকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রোববার সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৬টার
ঘূর্ণিঝড় মোখার কেন্দ্রে এখন বাতাসের গতিবেগ ওঠে যাচ্ছে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৮ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১২ মে) রাতে
ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ১৪ তারিখের (রোববার) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ মে) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে
ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাবে দেশের সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ কমতে পারে। শুক্রবার (১২ মে) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর