1. admin@mohanagarbarta.com : admin :
  2. editor@mohanagarbarta.com : editor :
  3. moshiur12600@gmail.com : moshiur :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
অনির্দিষ্টকালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি, আজও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত-সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ছয় সপ্তাহের মধ্যে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান ভূমিকম্পের ৩ মিনিট পরই নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৫৭ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ : আসামিদের আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ সকাল ১০টায়

ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় স্থবির কুড়িগ্রামের জনপদ

আবহাওয়া রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। তীব্র শীতের কারণে কাজে বের হতে পারছেন না শ্রমজীবী মানুষরা। টানা ছয়দিন ধরে জেলায় সূর্যের দেখা মিলছে না। বিকেল হতেই নেমে আসে অন্ধকার। এছাড়া হিমশীতল বাতাসে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিসের পর্যবেক্ষণ সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ (রোববার) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে বোরো বীজতলা ও আলু ক্ষেত নিয়ে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। রাজারহাট  উপজেলার ছিনাই  ইউনিয়নের কৃষক জহির আলী বলেন, প্রচণ্ড শীতের কারণে আলু ক্ষতি হবে। এতো কষ্ট করে আবাদ করেছি। ভেবেছিলাম আলুর ফলন ভালো হলে বিক্রি করে ভালো টাকা পাবো। এখন দুশ্চিন্তায় আছি। আল্লাহ ভরসা।

একই ইউনিয়নের দিনমজুর আজগার আলী বলেন, প্রচণ্ড শীতে হাত পা বরফ হয়ে যায়। আর কাজ না থাকায় কষ্টে আছি।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের কাজলী  বেগম বলেন, পাতলা চাদর গায়ে দিয়ে আছি। এই কাপড় দিয়া ঠান্ডা থেকে বাঁচা যায় না। একটা কম্বল দিলে ভালো হতো।

অন্যদিকে তীব্র শীতে জেলায় বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। অনেকেই সমস্য নিয়ে ভিড় করছেন হাসপাতালে

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ডা. শাহিদ সর্দার বলেন, শীতের কারণে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে বেশি ভর্তি হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন জানান, চলতি বছর জেলার ৯ উপজেলায় ৩৫ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। মাঝখানে শীত কমে যাওয়ায় নতুন করে আর চাহিদা দেওয়া হয়নি। তবে পরিস্থিতি প্রতিকূলে গেলে নতুন করে বরাদ্দ চাওয়া হবে।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিসের পর্যবেক্ষক সুবল চন্দ্র সরকার জানান, এ রকম শীত আরও কয়েকদিন থাকতে পারে। একই সঙ্গে থাকতে পারে কুয়াশাও।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: সিসা হোস্ট